
মোহাম্মদ মোরশেদ আলম
মাদকবিরোধী সংবাদ প্রকাশের জেরে গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় দৈনিক কালবেলা পত্রিকার প্রতিনিধি মোঃ মানিক মিয়ার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গাজীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক মেম্বার রিয়াজ মাহমুদ তালুকদার (রিয়াজ মেম্বার) ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। হামলায় বাধা দিতে গেলে সাংবাদিকের স্ত্রী কাকলি ও চাচাতো ভাই রাসেলকেও মারধর করা হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, হামলার সময় সাংবাদিক মানিক মিয়ার কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ, কালবেলার লোগোযুক্ত আইডি কার্ডসহ একটি ব্যাগ এবং নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় তার স্ত্রী কাকলি বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২৩ মার্চ ২০২৬, সোমবার কালিয়াকৈর উপজেলার বরাব দক্ষিণপাড়া এলাকায় অবৈধ মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন সাংবাদিক মানিক মিয়া। ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই স্থানীয় সাবেক মেম্বার ও গাজীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজ মাহমুদ তালুকদারের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
এর ধারাবাহিকতায় ২৪ মার্চ মঙ্গলবার দুপুরে পেশাগত দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে কোনাবাড়ীর পথে বের হলে কালিয়াকৈর উপজেলার মধ্যপাড়া বেগমপুর কলেজ গেইট বাজার এলাকায় তার গতিরোধ করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, এসময় রিয়াজ মাহমুদ তালুকদার, তার ছেলে রাশেদ তালুকদার, রিনা বেগম, বেলাল উদ্দিন, রকি, সবুজ হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৬–৭ জন ব্যক্তি লোহার রড, কাঠের বাটাম, লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তার ডান হাতের একটি আঙুল ভেঙে যায়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকের ৯ বছর বয়সী মেয়ে মাহি বাবাকে রক্ষা করতে গেলে তাকেও ফেলে দিয়ে কিল-ঘুষি ও লাথি মারা হয়। পরে সেখানে পৌঁছান মানিক মিয়ার স্ত্রী কাকলি ও চাচাতো ভাই রাসেল। তারা প্রতিবাদ করলে তাদের ওপরও হামলা করা হয়। এতে রাসেল গুরুতর আহত হন।
হামলার সময় মানিক মিয়ার পকেট থেকে নগদ ২৭ হাজার টাকা, তার স্ত্রীর গলায় থাকা ১২ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন এবং আরও ২ আনা ওজনের একটি চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে উদ্ধার করে গাজীপুরের শহিদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক মোঃ মানিক মিয়া বলেন, “আমি একজন গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে মাদক, সন্ত্রাস ও অসামাজিক কার্যকলাপ তুলে ধরা আমার দায়িত্ব। এ কাজ থেকে বিরত রাখতে পরিকল্পিতভাবে আমার ও আমার পরিবারের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত রিয়াজ মাহমুদ তালুকদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দাকার নাসির উদ্দিন বলেন, “ঘটনায় একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
মাদকবিরোধী সংবাদ প্রকাশের জেরে গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় দৈনিক কালবেলা পত্রিকার প্রতিনিধি মোঃ মানিক মিয়ার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গাজীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক মেম্বার রিয়াজ মাহমুদ তালুকদার (রিয়াজ মেম্বার) ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা। হামলায় বাধা দিতে গেলে সাংবাদিকের স্ত্রী কাকলি ও চাচাতো ভাই রাসেলকেও মারধর করা হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, হামলার সময় সাংবাদিক মানিক মিয়ার কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ, কালবেলার লোগোযুক্ত আইডি কার্ডসহ একটি ব্যাগ এবং নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় তার স্ত্রী কাকলি বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২৩ মার্চ ২০২৬, সোমবার কালিয়াকৈর উপজেলার বরাব দক্ষিণপাড়া এলাকায় অবৈধ মাদক ও অসামাজিক কার্যকলাপ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেন সাংবাদিক মানিক মিয়া। ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই স্থানীয় সাবেক মেম্বার ও গাজীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজ মাহমুদ তালুকদারের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
এর ধারাবাহিকতায় ২৪ মার্চ মঙ্গলবার দুপুরে পেশাগত দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে কোনাবাড়ীর পথে বের হলে কালিয়াকৈর উপজেলার মধ্যপাড়া বেগমপুর কলেজ গেইট বাজার এলাকায় তার গতিরোধ করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, এসময় রিয়াজ মাহমুদ তালুকদার, তার ছেলে রাশেদ তালুকদার, রিনা বেগম, বেলাল উদ্দিন, রকি, সবুজ হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৬–৭ জন ব্যক্তি লোহার রড, কাঠের বাটাম, লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তার ডান হাতের একটি আঙুল ভেঙে যায়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকের ৯ বছর বয়সী মেয়ে মাহি বাবাকে রক্ষা করতে গেলে তাকেও ফেলে দিয়ে কিল-ঘুষি ও লাথি মারা হয়। পরে সেখানে পৌঁছান মানিক মিয়ার স্ত্রী কাকলি ও চাচাতো ভাই রাসেল। তারা প্রতিবাদ করলে তাদের ওপরও হামলা করা হয়। এতে রাসেল গুরুতর আহত হন।
হামলার সময় মানিক মিয়ার পকেট থেকে নগদ ২৭ হাজার টাকা, তার স্ত্রীর গলায় থাকা ১২ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন এবং আরও ২ আনা ওজনের একটি চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে উদ্ধার করে গাজীপুরের শহিদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক মোঃ মানিক মিয়া বলেন, “আমি একজন গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে মাদক, সন্ত্রাস ও অসামাজিক কার্যকলাপ তুলে ধরা আমার দায়িত্ব। এ কাজ থেকে বিরত রাখতে পরিকল্পিতভাবে আমার ও আমার পরিবারের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”
এ বিষয়ে অভিযুক্ত রিয়াজ মাহমুদ তালুকদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দাকার নাসির উদ্দিন বলেন, “ঘটনায় একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
COMMENTS