![]() |
| সম্পাদকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান (ডানে)। |
এনএনবি
চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, উগ্রবাদ মোকাবিলা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রশ্নে রাজনৈতিক দল ও সংবাদমাধ্যমের পারস্পরিক দায়িত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো দেশের শীর্ষ সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক মতবিনিময়ে বসেন।
শনিবার (১০ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুরে রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনের বলরুমে বিএনপির আয়োজনে সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বলেন, ‘মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু তা যেন কোনোভাবেই জাতিকে বিভক্ত না করে। ৫ আগস্ট আমরা দেখেছি, হিংসা ও প্রতিহিংসার রাজনীতি দেশের জন্য কী ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনে।’
বেলা ১১টায় অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে তিনি প্রথমে সম্পাদক ও সাংবাদিকদের আসনের কাছে গিয়ে সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। দেশে ফেরার পর এটিই ছিল সম্পাদকদের সঙ্গে তার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।
অনুষ্ঠানে সম্পাদকরা বলেন, রাষ্ট্রের প্রকৃত গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করা অপরিহার্য। বিগত বছরগুলোতে সংবাদমাধ্যম বিভিন্নভাবে নিয়ন্ত্রিত ও নিপীড়িত হলেও গণ-অভ্যুত্থান মানুষের মধ্যে নতুন আকাঙ্ক্ষা তৈরি করেছে। এই নতুন বাংলাদেশে উগ্রবাদ মোকাবিলা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে রাজনৈতিক দল ও সংবাদমাধ্যমকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।
তারেক রহমান সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘সমালোচনা প্রয়োজন। কিন্তু শুধু সমালোচনার জন্য সমালোচনা নয়। এমন সমালোচনা চাই, যা দেশের সমস্যার সমাধানে সাহায্য করে।’
যায়যায়দিন সম্পাদক শফিক রেহমান জিয়া পরিবারের জনপ্রিয়তার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জীবিত অবস্থায় জানতেন না তিনি কতটা জনপ্রিয় ছিলেন। তাঁর জানাজায় অভূতপূর্ব জনসমাগমই তা প্রমাণ করেছিল। খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তাও আমরা দেখেছি। বর্তমান সমীক্ষা বলছে, দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ বিএনপিকে ভোট দিতে চায়। তবে এই জনপ্রিয়তাকে ভোটে রূপান্তর করেই ক্ষমতায় যেতে হবে।’
তিনি দুটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেন—বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বিলিয়ন ডলার চুরির পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে একটি স্পেশাল কমিটি গঠন এবং পুলিশ বাহিনীকে নতুন নৈতিকতায় শিক্ষিত করা। পাশাপাশি সাংবাদিকদের জন্য আলাদা আইন না করে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার আওতায় আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, ‘গণতন্ত্রের পাশাপাশি আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ক্লাইমেট চেঞ্জ। বাংলাদেশ একটি ফ্রন্টলাইন দেশ। উপকূলীয় অঞ্চলের অবস্থা ভয়াবহ, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ৬০০ ফুট পর্যন্ত নেমে গেছে, নদী দূষণ বাড়ছে। আগামী রাজনীতিতে এসব বিষয়কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।’
তিনি বিএনপির নতুন যাত্রায় স্বাধীন সাংবাদিকতা নিশ্চিতে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘৫ আগস্টের পর আমরা অনেকটাই স্বাধীন, আবার অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত। এই নিয়ন্ত্রণ আসছে মব ভায়োলেন্স থেকে। যখন সংবাদপত্রের অফিসে আগুন দেওয়া হয়, তখন প্রশ্ন জাগে—আমরা বেহেশতে আছি, না জাহান্নামে।’
তিনি আশা প্রকাশ করেন, পশ্চিমা বিশ্বের গণমাধ্যম সংস্কৃতি দেখে আসা তারেক রহমান সেই পরিবর্তন বাংলাদেশে আনবেন।
নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর বলেন, ‘যে কোনো রাজনৈতিক দল যদি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর চায়, তাদের দায়িত্ব সাংবাদিকতার স্বাধীন পরিবেশ নিশ্চিত করা। বিএনপি আমলে সংবাদমাধ্যম আওয়ামী লীগের সময়ের তুলনায় বেশি সহনশীলতা পেয়েছে—এটা সত্য। কিন্তু গণ-অভ্যুত্থান মানুষের মননে যে নতুন আকাঙ্ক্ষা তৈরি করেছে, সেখানে আর কোনো পুরোনো জমানার নিয়ন্ত্রণ চলবে না।’
আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘আপনি ১৭ বছর দেশে ছিলেন না। আপনার চারপাশের লোকজন যা বলছে, সেটাই আপনি শুনছেন। কিন্তু ১৭ বছরের প্রকৃত ইতিহাস ভিন্ন। সেই ইতিহাস আমি আপনার কাছে তুলে ধরব।’
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা ৫ আগস্টের আগের পরিস্থিতিতে ফিরে যেতে চাই না। হিংসা, প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার রাজনীতি বিএনপি পরিহার করতে চায়।’
তিনি সংস্কারকে তিন ভাগে ভাগ করেন—সাংবিধানিক, আইনগত এবং মানুষের প্রাত্যহিক জীবনযাত্রা ও নিরাপত্তা।
তিনি বলেন, ‘সংবিধান ও আইন সংস্কারের পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও নিরাপত্তার মতো মৌলিক বিষয়গুলোকে রাজনীতির কেন্দ্রে আনতে হবে।’
আগামীতে সরকার গঠন করতে পারলে বিএনপি যে পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে চায়, তার মধ্যে রয়েছে:ফ্যামিলি কার্ড: প্রায় চার কোটি পরিবারের নারীদের জন্য সর্বজনীন সহায়তা, কৃষক কার্ড/অ্যাগ্রি কার্ড: সার, বীজ ও কৃষি উপকরণে ভর্তুকি, স্বাস্থ্য খাতে প্রতিরোধমূলক মডেল ও এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, প্রবাসী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও বিশেষ বন্ড সুবিধা, তরুণদের কর্মসংস্থান ও আইটি পার্কে উদ্যোক্তা সহায়তা, ইত্যাদি।
তিনি বলেন, ‘আগামী ২২ তারিখ থেকে আমরা আমাদের সব পরিকল্পনা নিয়ে জনগণের সামনে যাব।’
অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষ সংবাদপত্র, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সম্পাদক, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম প্রতিনিধি, বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং মিডিয়া সেলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল এবং চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।
চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, উগ্রবাদ মোকাবিলা এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রশ্নে রাজনৈতিক দল ও সংবাদমাধ্যমের পারস্পরিক দায়িত্ব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো দেশের শীর্ষ সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক মতবিনিময়ে বসেন।
শনিবার (১০ জানুয়ারি ২০২৬) দুপুরে রাজধানীর বনানীতে হোটেল শেরাটনের বলরুমে বিএনপির আয়োজনে সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বলেন, ‘মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু তা যেন কোনোভাবেই জাতিকে বিভক্ত না করে। ৫ আগস্ট আমরা দেখেছি, হিংসা ও প্রতিহিংসার রাজনীতি দেশের জন্য কী ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনে।’
বেলা ১১টায় অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে তিনি প্রথমে সম্পাদক ও সাংবাদিকদের আসনের কাছে গিয়ে সবার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। দেশে ফেরার পর এটিই ছিল সম্পাদকদের সঙ্গে তার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।
অনুষ্ঠানে সম্পাদকরা বলেন, রাষ্ট্রের প্রকৃত গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করা অপরিহার্য। বিগত বছরগুলোতে সংবাদমাধ্যম বিভিন্নভাবে নিয়ন্ত্রিত ও নিপীড়িত হলেও গণ-অভ্যুত্থান মানুষের মধ্যে নতুন আকাঙ্ক্ষা তৈরি করেছে। এই নতুন বাংলাদেশে উগ্রবাদ মোকাবিলা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে রাজনৈতিক দল ও সংবাদমাধ্যমকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।
তারেক রহমান সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘সমালোচনা প্রয়োজন। কিন্তু শুধু সমালোচনার জন্য সমালোচনা নয়। এমন সমালোচনা চাই, যা দেশের সমস্যার সমাধানে সাহায্য করে।’
যায়যায়দিন সম্পাদক শফিক রেহমান জিয়া পরিবারের জনপ্রিয়তার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জীবিত অবস্থায় জানতেন না তিনি কতটা জনপ্রিয় ছিলেন। তাঁর জানাজায় অভূতপূর্ব জনসমাগমই তা প্রমাণ করেছিল। খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তাও আমরা দেখেছি। বর্তমান সমীক্ষা বলছে, দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ বিএনপিকে ভোট দিতে চায়। তবে এই জনপ্রিয়তাকে ভোটে রূপান্তর করেই ক্ষমতায় যেতে হবে।’
তিনি দুটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেন—বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বিলিয়ন ডলার চুরির পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে একটি স্পেশাল কমিটি গঠন এবং পুলিশ বাহিনীকে নতুন নৈতিকতায় শিক্ষিত করা। পাশাপাশি সাংবাদিকদের জন্য আলাদা আইন না করে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার আওতায় আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, ‘গণতন্ত্রের পাশাপাশি আমাদের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ক্লাইমেট চেঞ্জ। বাংলাদেশ একটি ফ্রন্টলাইন দেশ। উপকূলীয় অঞ্চলের অবস্থা ভয়াবহ, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ৬০০ ফুট পর্যন্ত নেমে গেছে, নদী দূষণ বাড়ছে। আগামী রাজনীতিতে এসব বিষয়কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।’
তিনি বিএনপির নতুন যাত্রায় স্বাধীন সাংবাদিকতা নিশ্চিতে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘৫ আগস্টের পর আমরা অনেকটাই স্বাধীন, আবার অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত। এই নিয়ন্ত্রণ আসছে মব ভায়োলেন্স থেকে। যখন সংবাদপত্রের অফিসে আগুন দেওয়া হয়, তখন প্রশ্ন জাগে—আমরা বেহেশতে আছি, না জাহান্নামে।’
তিনি আশা প্রকাশ করেন, পশ্চিমা বিশ্বের গণমাধ্যম সংস্কৃতি দেখে আসা তারেক রহমান সেই পরিবর্তন বাংলাদেশে আনবেন।
নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর বলেন, ‘যে কোনো রাজনৈতিক দল যদি রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তর চায়, তাদের দায়িত্ব সাংবাদিকতার স্বাধীন পরিবেশ নিশ্চিত করা। বিএনপি আমলে সংবাদমাধ্যম আওয়ামী লীগের সময়ের তুলনায় বেশি সহনশীলতা পেয়েছে—এটা সত্য। কিন্তু গণ-অভ্যুত্থান মানুষের মননে যে নতুন আকাঙ্ক্ষা তৈরি করেছে, সেখানে আর কোনো পুরোনো জমানার নিয়ন্ত্রণ চলবে না।’
আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘আপনি ১৭ বছর দেশে ছিলেন না। আপনার চারপাশের লোকজন যা বলছে, সেটাই আপনি শুনছেন। কিন্তু ১৭ বছরের প্রকৃত ইতিহাস ভিন্ন। সেই ইতিহাস আমি আপনার কাছে তুলে ধরব।’
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা ৫ আগস্টের আগের পরিস্থিতিতে ফিরে যেতে চাই না। হিংসা, প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার রাজনীতি বিএনপি পরিহার করতে চায়।’
তিনি সংস্কারকে তিন ভাগে ভাগ করেন—সাংবিধানিক, আইনগত এবং মানুষের প্রাত্যহিক জীবনযাত্রা ও নিরাপত্তা।
তিনি বলেন, ‘সংবিধান ও আইন সংস্কারের পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও নিরাপত্তার মতো মৌলিক বিষয়গুলোকে রাজনীতির কেন্দ্রে আনতে হবে।’
আগামীতে সরকার গঠন করতে পারলে বিএনপি যে পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে চায়, তার মধ্যে রয়েছে:ফ্যামিলি কার্ড: প্রায় চার কোটি পরিবারের নারীদের জন্য সর্বজনীন সহায়তা, কৃষক কার্ড/অ্যাগ্রি কার্ড: সার, বীজ ও কৃষি উপকরণে ভর্তুকি, স্বাস্থ্য খাতে প্রতিরোধমূলক মডেল ও এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, প্রবাসী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও বিশেষ বন্ড সুবিধা, তরুণদের কর্মসংস্থান ও আইটি পার্কে উদ্যোক্তা সহায়তা, ইত্যাদি।
তিনি বলেন, ‘আগামী ২২ তারিখ থেকে আমরা আমাদের সব পরিকল্পনা নিয়ে জনগণের সামনে যাব।’
অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষ সংবাদপত্র, অনলাইন ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সম্পাদক, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম প্রতিনিধি, বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং মিডিয়া সেলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল এবং চেয়ারম্যানের প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।

COMMENTS