
এনএনবি, ঢাকা
সদরঘাটে লঞ্চের ছিঁড়ে যাওয়া দড়ির আঘাতে ৫ যাত্রী নিহতের ঘটনায় দুই লঞ্চের ম্যানেজার ও কর্মচারীসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া এই ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এছাড়া দুর্ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দুই লঞ্চের রুট পারমিট বাতিল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল, ২০২৪) একটি লঞ্চের ধাক্কায় অপর লঞ্চের দড়ি ছিড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
কমিটি আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে বিআইডব্লিউটিএ'র চেয়ারম্যানের কাছে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কমিটিতে পরিচালক (ক্রয় ও সংরক্ষণ) মো. রফিকুল ইসলামকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। এছাড়া নৌ সংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো. আজগর আলী এবং বন্দর শাখার যুগ্ম পরিচালক মো. কবীর হোসেন কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম খান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রাজধানীর সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন রয়েছেন। ঈদের দিনে লঞ্চে করে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে সদরঘাটে এসেছিলেন তারা। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন হলেন- পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার মো. বেলাল (৩০), তার স্ত্রী মুক্তা (২৪) এবং তাদের চার বছর বয়সী মেয়ে মাইশা।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (মিটফোর্ড) ছুটে আসেন নিহত বেলালের স্ত্রীর ভগ্নিপতি জহিরুল ইসলাম। তিনি জানান, গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন বেলাল। স্ত্রী ও মেয়েসহ সেখানেই থাকতেন। ঈদের দিনে লঞ্চে করে পিরোজপুরে যেতে সদরঘাটে এসেছিলেন তারা।
তিনি জানান, বেলালের মা-বাবা অনেক আগেই মারা গেছেন। ঈদের দিনে স্ত্রী–সন্তান নিয়ে গ্রামে ফিরতে গিয়ে সেও প্রাণ হারালো। এতে বেলালের পরিবারে আর কেউ রইলো না।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল, ২০২৪) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে সদরঘাটে দুই লঞ্চের মাঝখানে অপর একটি লঞ্চ ভেড়ানোর সময় পন্টুনে বেঁধে রাখা লঞ্চে ধাক্কা লেগে পাঁচজন নিহত হন। বেলালের পরিবার ছাড়াও দুর্ঘটনায় নিহত অন্যরা হলেন- ঠাকুরগাঁওয়ের রবিউল (১৯) ও পটুয়াখালীর রিপন হাওলাদার (৩৮)।
জানা গেছে, সদরঘাটের ১১ নম্বর পন্টুনে এমভি তাশরিফ-৪ ও এমভি পূবালী-১ নামের দুটি লঞ্চ রশি দিয়ে বাঁধা ছিল। সোয়া ৩টার দিকে এ দুটি লঞ্চের মাঝখান দিয়ে ফারহান নামের আরেকটি লঞ্চ পন্টুনে ঢোকানোর সময় ধাক্কা লেগে এমভি তাশরিফ-৪ লঞ্চের রশি ছিঁড়ে যায় এবং লঞ্চটি যাত্রীদের ধাক্কা দেয়। এ ঘটনায় পাঁচজন যাত্রী গুরুতর আহত হন।
সদরঘাটে লঞ্চের ছিঁড়ে যাওয়া দড়ির আঘাতে ৫ যাত্রী নিহতের ঘটনায় দুই লঞ্চের ম্যানেজার ও কর্মচারীসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া এই ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এছাড়া দুর্ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দুই লঞ্চের রুট পারমিট বাতিল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল, ২০২৪) একটি লঞ্চের ধাক্কায় অপর লঞ্চের দড়ি ছিড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
কমিটি আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে বিআইডব্লিউটিএ'র চেয়ারম্যানের কাছে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কমিটিতে পরিচালক (ক্রয় ও সংরক্ষণ) মো. রফিকুল ইসলামকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। এছাড়া নৌ সংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো. আজগর আলী এবং বন্দর শাখার যুগ্ম পরিচালক মো. কবীর হোসেন কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম খান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রাজধানীর সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচজনের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন রয়েছেন। ঈদের দিনে লঞ্চে করে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে সদরঘাটে এসেছিলেন তারা। নিহতদের মধ্যে একই পরিবারের তিনজন হলেন- পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার মো. বেলাল (৩০), তার স্ত্রী মুক্তা (২৪) এবং তাদের চার বছর বয়সী মেয়ে মাইশা।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (মিটফোর্ড) ছুটে আসেন নিহত বেলালের স্ত্রীর ভগ্নিপতি জহিরুল ইসলাম। তিনি জানান, গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন বেলাল। স্ত্রী ও মেয়েসহ সেখানেই থাকতেন। ঈদের দিনে লঞ্চে করে পিরোজপুরে যেতে সদরঘাটে এসেছিলেন তারা।
তিনি জানান, বেলালের মা-বাবা অনেক আগেই মারা গেছেন। ঈদের দিনে স্ত্রী–সন্তান নিয়ে গ্রামে ফিরতে গিয়ে সেও প্রাণ হারালো। এতে বেলালের পরিবারে আর কেউ রইলো না।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল, ২০২৪) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে সদরঘাটে দুই লঞ্চের মাঝখানে অপর একটি লঞ্চ ভেড়ানোর সময় পন্টুনে বেঁধে রাখা লঞ্চে ধাক্কা লেগে পাঁচজন নিহত হন। বেলালের পরিবার ছাড়াও দুর্ঘটনায় নিহত অন্যরা হলেন- ঠাকুরগাঁওয়ের রবিউল (১৯) ও পটুয়াখালীর রিপন হাওলাদার (৩৮)।
জানা গেছে, সদরঘাটের ১১ নম্বর পন্টুনে এমভি তাশরিফ-৪ ও এমভি পূবালী-১ নামের দুটি লঞ্চ রশি দিয়ে বাঁধা ছিল। সোয়া ৩টার দিকে এ দুটি লঞ্চের মাঝখান দিয়ে ফারহান নামের আরেকটি লঞ্চ পন্টুনে ঢোকানোর সময় ধাক্কা লেগে এমভি তাশরিফ-৪ লঞ্চের রশি ছিঁড়ে যায় এবং লঞ্চটি যাত্রীদের ধাক্কা দেয়। এ ঘটনায় পাঁচজন যাত্রী গুরুতর আহত হন।
COMMENTS