![]() |
গুলশানের বাসা থেকে হাসপাতালের পথে বেগম খালেদা জিয়া |
এনএনবি, ঢাকা
শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় শনিবার রাত ২টা ৫৪ মিনিটে আবারও রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে। নিবিড় পর্যবেক্ষণের জন্য তাকে সিসিইউতে রাখা হয়েছে। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।
শনিবার দিবাগত রাত ১২টার কিছু পরেই সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি হয়। তার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের বেশ কয়েকজন সদস্য গুলশানের বাসা ফিরোজায় যান। এসব বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পরীক্ষা শেষে বেগম জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। আড়াইটার দিকে বেগম জিয়া হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হন।
তিন দিন আগে গত বুধবার (২৭ মার্চ, ২০২৪) সন্ধ্যার পর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি হওয়ায় তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়ার প্রাথমিক চিন্তা করা হয়েছিলো।
ওই দিন বেগম জিয়ার চেকআপ শেষে সাবেক তার চিকিৎসক অধ্যাপক ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আপাতত ভালো আছেন। এ কারণে তিনি তার মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে বাসায় থেকে চিকিৎসা নেবেন।
এর আগে ১৩ মার্চ বেগম খালেদা জিয়াকে শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষারর জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। নিবিড় পর্যবেক্ষণের পর পরদিন তিনি বাড়ি ফিরে আসেন।
এর আগে পাঁচ মাসেরও বেশি সময় চিকিৎসা শেষে গত ১১ জানুয়ারি হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরেন বিএনপি চেয়ারপারসন।
এভারকেয়ার হাসপাতালেই চিকিৎসা করান দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত ৭৮ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস এবং কিডনি, ফুসফুস, হার্ট ও চোখের সমস্যাসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন।
২০২১ সালের নভেম্বরে খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিস ধরা পড়ার পর থেকেই চিকিৎসকরা তাকে বিদেশে পাঠানোর পরামর্শ দিয়ে আসছেন। বিএনপি চেয়ারপারসনের পরিবারও বিভিন্ন সময়ে সরকারের কাছে অনুমতি চেয়ে আসছে। গত ২৭ মার্চ তার মুক্তির মেয়াদ আরো ৬ মাস (অষ্টম বারের মতো) বাড়ানো হয়েছে, কিন্তু বিদেশ নেওয়ার অনুমতি মেলেনি।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দুর্নীতির মামলায় সাজা স্থগিত করার শর্তে খালেদার মুক্তি হওয়ায় চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার সুযোগ নেই।
২০২০ সালে কারাগার থেকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে একটি মেডিকেল বোর্ডের অধীনে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় শনিবার রাত ২টা ৫৪ মিনিটে আবারও রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে। নিবিড় পর্যবেক্ষণের জন্য তাকে সিসিইউতে রাখা হয়েছে। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।
শনিবার দিবাগত রাত ১২টার কিছু পরেই সাবেক প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি হয়। তার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের বেশ কয়েকজন সদস্য গুলশানের বাসা ফিরোজায় যান। এসব বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পরীক্ষা শেষে বেগম জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। আড়াইটার দিকে বেগম জিয়া হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা হন।
তিন দিন আগে গত বুধবার (২৭ মার্চ, ২০২৪) সন্ধ্যার পর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার হঠাৎ অবনতি হওয়ায় তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়ার প্রাথমিক চিন্তা করা হয়েছিলো।
ওই দিন বেগম জিয়ার চেকআপ শেষে সাবেক তার চিকিৎসক অধ্যাপক ডাঃ এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আপাতত ভালো আছেন। এ কারণে তিনি তার মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে বাসায় থেকে চিকিৎসা নেবেন।
এর আগে ১৩ মার্চ বেগম খালেদা জিয়াকে শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষারর জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। নিবিড় পর্যবেক্ষণের পর পরদিন তিনি বাড়ি ফিরে আসেন।
এর আগে পাঁচ মাসেরও বেশি সময় চিকিৎসা শেষে গত ১১ জানুয়ারি হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরেন বিএনপি চেয়ারপারসন।
এভারকেয়ার হাসপাতালেই চিকিৎসা করান দুর্নীতি মামলায় দণ্ডিত ৭৮ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী। তিনি দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস এবং কিডনি, ফুসফুস, হার্ট ও চোখের সমস্যাসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন।
২০২১ সালের নভেম্বরে খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিস ধরা পড়ার পর থেকেই চিকিৎসকরা তাকে বিদেশে পাঠানোর পরামর্শ দিয়ে আসছেন। বিএনপি চেয়ারপারসনের পরিবারও বিভিন্ন সময়ে সরকারের কাছে অনুমতি চেয়ে আসছে। গত ২৭ মার্চ তার মুক্তির মেয়াদ আরো ৬ মাস (অষ্টম বারের মতো) বাড়ানো হয়েছে, কিন্তু বিদেশ নেওয়ার অনুমতি মেলেনি।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দুর্নীতির মামলায় সাজা স্থগিত করার শর্তে খালেদার মুক্তি হওয়ায় চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার সুযোগ নেই।
২০২০ সালে কারাগার থেকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পাওয়ার পর থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে একটি মেডিকেল বোর্ডের অধীনে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
COMMENTS