
এনএনবি, ঢাকা
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাত্রীদের নিবিঘ্নে যাতায়াতের লক্ষ্যে বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রতিদিন অতিরিক্ত ৮ জোড়া বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করেবে। ওই ট্রেনগুলোতে প্রতিদিন ৩৩ হাজার ৫০০ যাত্রী বহন করা ডাবে। এছাড়া ঈদের আগের দিন প্রতিটি ট্রেনের আসন সংখ্যার বিপরীতে অতিরিক্ত আরও ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট দেওয়া হবে।
২৪ মার্চ থেকে শুরু হবে অগ্রিম টিকিটি বিক্রি। আগামী ১১ এপ্রিল ঈদের দিন ধরে হিসেব করে যাত্রা বিবেচনায় টিকিট বিক্রি শুরুর দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বছর ঈদের ৫ দিনের পরিবর্তে ৭ দিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করবে রেল কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (১৩ মার্চ ২০২৪) দুপুরে রেলভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন রেলপথ মন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম। এসময় রেলসচিব হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
রেলমন্ত্রী জানান, আগামী ২৪ মার্চ থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। অগ্রিম টিকিট বিক্রি চলবে ৩১ মার্চ পর্যন্ত। প্রথম দিনে দেয়া হবে ৩ এপ্রিলের ট্রেনের টিকিট।
মন্ত্রী বলেন, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকেই শতভাগ টিকিট বিক্রি হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট, রেল সেবা অ্যাপ ও সহজ ডটকমের প্ল্যাটফর্ম থেকে টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে জানিয়েছে, আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের ভ্রমণের সুবিধার্থে ১৬টি বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে৷
এই ট্রেনগুলোর মধ্যে রয়েছে— চট্টগ্রাম-চাঁদপুর রুটের চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল ৪টি, চট্টগ্রাম-ময়মনসিংহ রুটে ময়মনসিংহ ঈদ স্পেশাল ২টি, ঢাকা- দেওয়ানগঞ্জ রুটে দেওয়ানগঞ্জ ঈদ স্পেশাল ২টি।
এ ট্রেনগুলো ৫ এপ্রিল থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত ও ঈদের পরের দিন থেকে ৫ দিন পর্যন্ত চলাচল করবে।
এছাড়া ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের কক্সবাজার ঈদ স্পেশালের ২টি ট্রেন চলবে৷ ট্রেন দুটি ঈদের আগে ৮ ও ৯ এপ্রিল এবং ঈদের পরের দিন থেকে তিনদিন চলাচল করবে৷
অন্যদিকে ভৈরব বাজার-কিশোরগঞ্জ রুটে শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল ২টি ট্রেন। ময়মনসিংহ- কিশোরগঞ্জ রুটের শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল দুটি শুধুমাত্র ঈদের দিন চলাচল করবে৷
এছাড়া জয়দেবপুর-পার্বতীপুর রুটে ঈদ স্পেশাল ২টি ট্রেন ঈদের আগে ৭ থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত তিনদিন এবং ঈদের পরের দ্বিতীয় দিন থেকে তিনদিন পর্যন্ত চলাচল করবে।
রেলসচিব হুমায়ুন কবির বলেন, ‘ঈদে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি রোধে যত পন্থা আছে সবকিছুর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।’ রেলসচিব বলেন, ‘ট্রেনের টিকিট জালিয়াতি রোধে এবার মোবাইলে ওটিপি দিয়ে টিকিট কাটতে হবে। এছাড়া বিভিন্ন স্ট্রেশনে সরকারি বিভিন্ন সংস্থ্যার মনিটরিং টিম থাকবে।’
এই ঈদেও শতভাগ অনলাইনে ট্রেনের টিকিট বিক্রি করা হবে বলেও তিনি উল্লখ করেন।
যেদিন থেকে যাত্রা টিকিট
যাত্রা টিকিট
২৪ মার্চ—৩ এপ্রিলের টিকিট দেওয়া হবে। এছাড়া....
২৫ মার্চ—৪ এপ্রিলের
২৬ মার্চ—৫ এপ্রিলের
২৭ মার্চ—৬ এপ্রিলের
২৮ মার্চ—৭ এপ্রিলের
২৯ মার্চ— এপ্রিলের
৩০ মার্চ—০৯ এপ্রিলের এবং
৩১ মার্চ—১০ এপ্রিলের টিকিট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
ফিরতি টিকিট:
ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হবে ৩ এপ্রিল। এদিন ১৩ এপ্রিলের টিকিট দেওয়া হবে। আরও যেদিন পাওয়া যাবে ফিরতি টিকিটি...
৩ এপ্রিল—১৩ এপ্রিলের
৪ এপ্রিল—১৪ এপ্রিলের
৫ এপ্রিল—১৫ এপ্রিলের
৬ এপ্রিল—১৬ এপ্রিলের
৭ এপ্রিল—১৭ এপ্রিলের
৮ এপ্রিল—১৮ এপ্রিলের
৯ এপ্রিল—১৯ এপ্রিলের
১০ এপ্রিল—২০ এপ্রিলের টিকিট দেওয়া হবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে সূচি পরিবর্তন হতে পারে।
এবার ঈদে ঢাকা থেকে বহির্গামী আন্তঃনগর ট্রেনে মোট আসন সংখ্যা হবে ৩৩ হাজার ৫০০টি।
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাত্রীদের নিবিঘ্নে যাতায়াতের লক্ষ্যে বাংলাদেশ রেলওয়ে প্রতিদিন অতিরিক্ত ৮ জোড়া বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করেবে। ওই ট্রেনগুলোতে প্রতিদিন ৩৩ হাজার ৫০০ যাত্রী বহন করা ডাবে। এছাড়া ঈদের আগের দিন প্রতিটি ট্রেনের আসন সংখ্যার বিপরীতে অতিরিক্ত আরও ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট দেওয়া হবে।
২৪ মার্চ থেকে শুরু হবে অগ্রিম টিকিটি বিক্রি। আগামী ১১ এপ্রিল ঈদের দিন ধরে হিসেব করে যাত্রা বিবেচনায় টিকিট বিক্রি শুরুর দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বছর ঈদের ৫ দিনের পরিবর্তে ৭ দিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করবে রেল কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (১৩ মার্চ ২০২৪) দুপুরে রেলভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন রেলপথ মন্ত্রী মো. জিল্লুল হাকিম। এসময় রেলসচিব হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
রেলমন্ত্রী জানান, আগামী ২৪ মার্চ থেকে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে। অগ্রিম টিকিট বিক্রি চলবে ৩১ মার্চ পর্যন্ত। প্রথম দিনে দেয়া হবে ৩ এপ্রিলের ট্রেনের টিকিট।
মন্ত্রী বলেন, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকেই শতভাগ টিকিট বিক্রি হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট, রেল সেবা অ্যাপ ও সহজ ডটকমের প্ল্যাটফর্ম থেকে টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ে জানিয়েছে, আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের ভ্রমণের সুবিধার্থে ১৬টি বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে৷
এই ট্রেনগুলোর মধ্যে রয়েছে— চট্টগ্রাম-চাঁদপুর রুটের চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল ৪টি, চট্টগ্রাম-ময়মনসিংহ রুটে ময়মনসিংহ ঈদ স্পেশাল ২টি, ঢাকা- দেওয়ানগঞ্জ রুটে দেওয়ানগঞ্জ ঈদ স্পেশাল ২টি।
এ ট্রেনগুলো ৫ এপ্রিল থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত ও ঈদের পরের দিন থেকে ৫ দিন পর্যন্ত চলাচল করবে।
এছাড়া ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটের কক্সবাজার ঈদ স্পেশালের ২টি ট্রেন চলবে৷ ট্রেন দুটি ঈদের আগে ৮ ও ৯ এপ্রিল এবং ঈদের পরের দিন থেকে তিনদিন চলাচল করবে৷
অন্যদিকে ভৈরব বাজার-কিশোরগঞ্জ রুটে শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল ২টি ট্রেন। ময়মনসিংহ- কিশোরগঞ্জ রুটের শোলাকিয়া ঈদ স্পেশাল দুটি শুধুমাত্র ঈদের দিন চলাচল করবে৷
এছাড়া জয়দেবপুর-পার্বতীপুর রুটে ঈদ স্পেশাল ২টি ট্রেন ঈদের আগে ৭ থেকে ৯ এপ্রিল পর্যন্ত তিনদিন এবং ঈদের পরের দ্বিতীয় দিন থেকে তিনদিন পর্যন্ত চলাচল করবে।
রেলসচিব হুমায়ুন কবির বলেন, ‘ঈদে ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি রোধে যত পন্থা আছে সবকিছুর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।’ রেলসচিব বলেন, ‘ট্রেনের টিকিট জালিয়াতি রোধে এবার মোবাইলে ওটিপি দিয়ে টিকিট কাটতে হবে। এছাড়া বিভিন্ন স্ট্রেশনে সরকারি বিভিন্ন সংস্থ্যার মনিটরিং টিম থাকবে।’
এই ঈদেও শতভাগ অনলাইনে ট্রেনের টিকিট বিক্রি করা হবে বলেও তিনি উল্লখ করেন।
যেদিন থেকে যাত্রা টিকিট
যাত্রা টিকিট
২৪ মার্চ—৩ এপ্রিলের টিকিট দেওয়া হবে। এছাড়া....
২৫ মার্চ—৪ এপ্রিলের
২৬ মার্চ—৫ এপ্রিলের
২৭ মার্চ—৬ এপ্রিলের
২৮ মার্চ—৭ এপ্রিলের
২৯ মার্চ— এপ্রিলের
৩০ মার্চ—০৯ এপ্রিলের এবং
৩১ মার্চ—১০ এপ্রিলের টিকিট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
ফিরতি টিকিট:
ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হবে ৩ এপ্রিল। এদিন ১৩ এপ্রিলের টিকিট দেওয়া হবে। আরও যেদিন পাওয়া যাবে ফিরতি টিকিটি...
৩ এপ্রিল—১৩ এপ্রিলের
৪ এপ্রিল—১৪ এপ্রিলের
৫ এপ্রিল—১৫ এপ্রিলের
৬ এপ্রিল—১৬ এপ্রিলের
৭ এপ্রিল—১৭ এপ্রিলের
৮ এপ্রিল—১৮ এপ্রিলের
৯ এপ্রিল—১৯ এপ্রিলের
১০ এপ্রিল—২০ এপ্রিলের টিকিট দেওয়া হবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে সূচি পরিবর্তন হতে পারে।
এবার ঈদে ঢাকা থেকে বহির্গামী আন্তঃনগর ট্রেনে মোট আসন সংখ্যা হবে ৩৩ হাজার ৫০০টি।
COMMENTS