$type=ticker$c=12$cls=0$b=0

গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে অনিয়ম-দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ

Gazipur Development Authority

জুলীয়াস চৌধুরী

গাজীপুর ও এর সন্নিহিত এলাকাকে আধুনিক, সুপরিকল্পিত শিল্প, আবাসিক ও পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে ২০২০ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর প্রণীত গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২০-এর অধীনে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতায় গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (গাউক) প্রতিষ্ঠিত হয়। আইন অনুযায়ী সংস্থাটির দায়িত্ব হলো মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, ভূমি ব্যবহার ও ইমারত নির্মাণ নিয়ন্ত্রণ, উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণ প্রতিরোধ।

কিন্তু প্রতিষ্ঠার কয়েক বছরের মধ্যেই সংস্থাটির কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে নকশা জালিয়াতি, প্ল্যান পাস ও ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্রে অনিয়ম, ঘুষ-কমিশন, ক্ষমতার অপব্যবহার, পরিবেশগত বিধি লঙ্ঘন এবং সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির মতো গুরুতর অভিযোগ বিভিন্ন গণমাধ্যমের ধারাবাহিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং দায় নিরূপণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব হলেও, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনগুলো গাউকের কার্যক্রম, জবাবদিহি এবং সুশাসন নিয়ে জনমনে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

গণমাধ্যমের ধারাবাহিক প্রতিবেদনে যেসব অভিযোগ উঠে এসেছে:

ভয়-ভীতি, ঘুষ আদায় ও প্ল্যান পাসে অনিয়মের অভিযোগ

দৈনিক সকালের সময়-এর তিন পর্বের [] [] [] ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে ভয়-ভীতি ও হয়রানির মাধ্যমে ঘুষ ও চাঁদাবাজি, প্ল্যান পাস ও ভূমি ছাড়পত্রে অনিয়ম, ডিটেইল্ড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) লঙ্ঘন, নকশা জালিয়াতি, জলাশয় ও খালের ওপর বহুতল ভবন নির্মাণে অনুমোদন, অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থাপনাকে আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে প্রশ্রয় দেওয়া এবং ফাইল আটকে রেখে সেবাগ্রহীতাদের জিম্মি করে অর্থ আদায়ের মতো গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনগুলোতে আরও দাবি করা হয়, জবাবদিহির অভাব, দুর্বল তদারকি এবং আইনের বাছাইভিত্তিক প্রয়োগের কারণে গাউক তার পরিকল্পিত নগর উন্নয়নের মূল লক্ষ্য থেকে সরে গিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে প্রশ্নবিদ্ধ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। একই সঙ্গে এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং সংস্থাটিকে স্বচ্ছ ও জনমুখী প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের জন্য সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপের আহ্বান জানানো হয়।


ইমারত পরিদর্শকের বিরুদ্ধে অবৈধ অনুমোদন ও সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

সাপ্তাহিক অপরাধ বিচিত্রা-এর এক প্রতিবেদনে গাউকের ইমারত পরিদর্শক মো. মুরাদ আলী খানের বিরুদ্ধে ড্যাপে চিহ্নিত জলাশয় এলাকায় বহুতল ভবন নির্মাণের জন্য নকশা অনুমোদন ও ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র প্রদানে অনিয়ম, নকশা অনুমোদন প্রক্রিয়ায় প্রভাব খাটানো এবং আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে অবৈধ অনুমোদন দেওয়ার অভিযোগ তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনটিতে আরও দাবি করা হয়, প্রতিটি ফাইলে একটি সংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করে অনুমোদন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ এবং বিপুল অর্থ আদায়ের একটি অনানুষ্ঠানিক ব্যবস্থা চালু ছিল। একই প্রতিবেদনে তার ও তার স্বজনদের নামে গাজীপুরে একাধিক ফ্ল্যাট, বাণিজ্যিক ভবন, জমি ও অন্যান্য স্থাবর সম্পদের তথ্য উল্লেখ করে অভিযোগ করা হয় যে, সরকারি চাকরির আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন তিনি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, গাউকের চেয়ারম্যান ও সচিবের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাঁদের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।


সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট, ঘুষ বাণিজ্য ও ড্যাপ লঙ্ঘনের অভিযোগ

দৈনিক আমাদের মাতৃভূমি-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে ইমারত পরিদর্শক মোহাম্মদ মুরাদ আলী খানের বিরুদ্ধে ড্যাপ লঙ্ঘন করে জলাশয় এলাকায় বহুতল ভবন নির্মাণের অনুমোদন, ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্র প্রদানে অনিয়ম, ফাইল আটকে রেখে ঘুষ আদায়, নকশা অনুমোদন বাণিজ্য এবং একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অবৈধ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, সরকারি চাকরির ঘোষিত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে তার ও তার স্বজনদের নামে একাধিক ফ্ল্যাট, বাণিজ্যিক ভবন ও মূল্যবান জমিসহ বিপুল স্থাবর সম্পদ গড়ে উঠেছে। স্থানীয় নাগরিক সমাজের উদ্ধৃতি দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি গাজীপুরের অপরিকল্পিত নগরায়ণ, জলাবদ্ধতা, পরিবেশ ধ্বংস ও প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনাকে আরও তীব্র করেছে।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং গাউকের চেয়ারম্যান ও সচিবের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাঁদের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।


‘এম’ সংকেত, নকশা জালিয়াতি ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ

দৈনিক ঐশী বাংলা-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে ইমারত পরিদর্শক মো. মুরাদ আলীর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ-দুর্নীতি, নকশা জালিয়াতি এবং বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়, ভবন নির্মাণের নকশা অনুমোদনের প্রতিটি ফাইলে ‘এম’ নামে একটি বিশেষ সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করে অনুমোদন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা হতো এবং এটি উৎকোচ আদায়ের একটি অনানুষ্ঠানিক ব্যবস্থার অংশ ছিল। আরও অভিযোগ করা হয়, ড্যাপে চিহ্নিত জলাশয় এলাকায় বহুতল ভবন নির্মাণের অনুমতি দেওয়া, নির্ধারিত রাস্তার প্রস্থ পরিবর্তন করে নকশা অনুমোদন, ত্রুটিপূর্ণ জমি ও অনুমোদনহীন ভবনকে ‘বিশেষ প্রকল্প’ দেখিয়ে ছাড়পত্র প্রদান এবং বিভিন্ন ফাইলে অনিয়মের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা আদায় করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।


চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ

দুর্নীতি সংহার-এর এক প্রতিবেদনে গাউকের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল মান্নানের নেতৃত্বে সংস্থাটিতে সীমাহীন দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়, আইনের দুর্বল প্রয়োগ এবং জবাবদিহির অভাবের সুযোগ নিয়ে কিছু কর্মকর্তা সেবাগ্রহীতাদের ভয়-ভীতি ও হয়রানির মাধ্যমে অর্থ আদায় করছেন এবং উচ্ছেদ অভিযান কার্যত প্রহসনে পরিণত হয়েছে। আরও অভিযোগ করা হয়, অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত শিল্প-কারখানাকে অর্থের বিনিময়ে প্ল্যান পাস ও ছাড়পত্র দেওয়া হচ্ছে, অথচ আবাসিক এলাকার পরিকল্পিত উন্নয়ন উপেক্ষিত থাকায় অপরিকল্পিত নগরায়ণ, অবকাঠামোগত সংকট ও জনদুর্ভোগ বাড়ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযোগের বিষয়ে চেয়ারম্যানের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি সরাসরি অভিযোগের জবাব দেননি। একই সঙ্গে নগর পরিকল্পনাবিদ ও স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সরকারের উচ্চপর্যায়ের জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি জানান।


সুশাসন ও জবাবদিহি নিয়ে প্রশ্ন

বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে গাউকের কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, ড্যাপ লঙ্ঘন, পরিবেশগত বিধি উপেক্ষা, সেবাগ্রহীতাদের হয়রানি এবং অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জনের মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ উঠে এসেছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব হলেও, অভিযোগগুলোর পুনরাবৃত্তি সংস্থাটির কার্যক্রম, তদারকি ব্যবস্থা, অভ্যন্তরীণ জবাবদিহি এবং সুশাসনের কার্যকারিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তৈরি করেছে।

গাউকের ব্যবস্থাপনার জন্য ১৫ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে, যেখানে জেলা প্রশাসন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত। এত উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিত্ব থাকা সত্ত্বেও সংস্থাটির বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে একই ধরনের অভিযোগ উঠে আসা নাগরিক সমাজের কাছে গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গাজীপুরের পরিকল্পিত নগরায়ণ, পরিবেশ সুরক্ষা এবং জনস্বার্থের প্রশ্নে গাউকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর দ্রুত, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত এখন শুধু প্রশাসনিক প্রয়োজন নয়, বরং নাগরিক আস্থা পুনর্গঠন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠারও অপরিহার্য পূর্বশর্ত।

চলবে...



গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে অনিয়ম-দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ: গণমাধ্যমের ধারাবাহিক প্রতিবেদনে উদ্বেগজনক চিত্র

COMMENTS


Developed by Julius Choudhury
নাম

অপরাধ,105,অর্থনীতি,173,অস্ট্রেলিয়া,1,আইন ও আদালত,39,আন্তর্জাতিক,107,আবহাওয়া,29,আশুলিয়া,1,ইরান,2,এভিয়েশন,3,কক্সবাজার,7,কলকাতা,2,কিশোরগঞ্জ,18,কুড়িগ্রাম,15,কুমিল্লা,5,কুষ্টিয়া,8,কূটনীতি,3,কৃষি,16,ক্যাম্পাস,15,খাগড়াছড়ি,1,খুলনা,1,খেলা,89,গণমাধ্যম,184,গাইবান্ধা,2,গাজীপুর,222,গোপালগঞ্জ,5,চট্টগ্রাম,17,চাঁদপুর,1,চাকরি,6,জয়পুরহাট,2,জাতীয়,206,জাপান,1,জামালপুর,5,টাঙ্গাইল,7,ঠাকুরগাঁও,1,ঢাকা,1,ঢাবি,2,তুরস্ক,1,দিনাজপুর,17,ধর্ম,24,নড়াইল,3,নবাবগঞ্জ,1,নরসিংদী,12,নাটোর,2,নির্বাচন,15,নীলফামারী,1,নেত্রকোণা,8,নেপাল,3,নোয়াখালী,2,পটুয়াখালী,1,পরিবেশ,12,পাকিস্তান,3,পাবনা,132,প্রবাস,6,প্রযুক্তি,61,ফটো,1,ফিলিপাইন,1,ফেনী,5,বগুড়া,2,বরিশাল,3,বাং,1,বাংলাদেশ,4,বাগেরহাট,2,বান্দরবান,10,বিচিত্র,2,বিনোদন,23,বিশেষ প্রতিবেদন,18,বিশ্ব,299,বেনাপোল,1,ব্যাংক,3,ব্রাহ্মণবাড়িয়া,12,ভারত,15,ভুটান,1,ভ্রমণ,9,মতামত,14,মধ্যপ্রাচ্য,1,ময়মনসিংহ,14,মানিকগঞ্জ,1,মালয়েশিয়া,1,মিয়ানমার,1,মুন্সীগঞ্জ,2,মেহেরপুর,13,যশোর,1,যুক্তরাষ্ট্র,7,যোগাযোগ,3,রংপুর,274,রাঙ্গামাটি,1,রাজধানী,70,রাজনীতি,232,রাজশাহী,3,রাশিয়া,2,লক্ষ্মীপুর,4,লালমনিরহাট,4,শরীয়তপুর,2,শিক্ষা,120,শিল্প ও সংস্কৃতি,3,শেরপুর,1,সংস্কৃতি,7,সাতক্ষীরা,3,সাভার,3,সারাদেশ,644,সাহিত্য,11,সিলেট,6,সুনামগঞ্জ,1,স্বাস্থ্য,70,
ltr
item
NNB - News Network of Bangladesh: গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে অনিয়ম-দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ
গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে অনিয়ম-দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ
গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে দুর্নীতির ভয়াবহ অভিযোগ! ড্যাপ লঙ্ঘন, ঘুষ বাণিজ্য ও অবৈধ সম্পদের চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে গণমাধ্যমে।
https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEg852asvgmV88vNeyyU9NElS3bqkk4OtOPXgjDfdydAexl1z2z3AgFxH3UMAlfcJoAOPd8Hd8dUt-Ml6o0ybPhOPYpRFEXRiAeF7SndLaKYPSvuNTWBh8nfhdo__cCP-kLF0Va-Gj99NDxUWf6abho6W-ji7-m9t6OgesXY5lX-NgQmUJBeby8kK6qMhmU/s16000/gazipur-development-authori.jpg
https://blogger.googleusercontent.com/img/b/R29vZ2xl/AVvXsEg852asvgmV88vNeyyU9NElS3bqkk4OtOPXgjDfdydAexl1z2z3AgFxH3UMAlfcJoAOPd8Hd8dUt-Ml6o0ybPhOPYpRFEXRiAeF7SndLaKYPSvuNTWBh8nfhdo__cCP-kLF0Va-Gj99NDxUWf6abho6W-ji7-m9t6OgesXY5lX-NgQmUJBeby8kK6qMhmU/s72-c/gazipur-development-authori.jpg
NNB - News Network of Bangladesh
https://edition.nnb.com.bd/2026/06/0126061610.html
https://edition.nnb.com.bd/
https://edition.nnb.com.bd/
https://edition.nnb.com.bd/2026/06/0126061610.html
true
8430089477468953663
UTF-8
Loaded All Posts Not found any posts সব দেখনু Read More Reply Cancel reply Delete By হোম PAGES POSTS সব দেখনু সম্পর্কিত বিষয় ARCHIVE খোঁজ ALL POSTS Not found any post match with your request Back Home Sunday Monday Tuesday Wednesday Thursday Friday Saturday Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat January February March April May June July August September October November December Jan Feb Mar Apr May Jun Jul Aug Sep Oct Nov Dec just now 1 minute ago $$1$$ minutes ago 1 hour ago $$1$$ hours ago Yesterday $$1$$ days ago $$1$$ weeks ago more than 5 weeks ago Followers Follow THIS PREMIUM CONTENT IS LOCKED STEP 1: Share to a social network STEP 2: Click the link on your social network Copy All Code Select All Code All codes were copied to your clipboard Can not copy the codes / texts, please press [CTRL]+[C] (or CMD+C with Mac) to copy Table of Content