
এনএনবি, নেত্রকোণা
নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় ঈদের জামাতের স্থান নির্ধারণকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের ৩০ জনের মতো আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল, ২০২৪) সকালে রোয়াইলবাড়ি আমতলা ইউনিয়নের কেরাদীঘি গ্রামের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
আহতরা হলো, সরবুল, বাবু, বাদল, খায়রুল, সোহাগ, আবেদ আলী, শহীদুল্লাহ, সোহেল রানা, আসাদ ও চেংজানা গ্রামের কামরুলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসক ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। অন্যরা কেন্দুয়া উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কেরাদীঘি গ্রামের পুরাতন ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ পড়তে চান গ্রামের সরবুল, খায়রুল, বাদল গংসহ একটি পক্ষ। অপর দিকে যাতায়াতের রাস্তার সমস্যার কথা বলে গ্রামের মসজিদের মাঠে নামাজ পড়তে চান ছাদেক, সিদ্দিক, হেলাল গংসহ অপর পক্ষ। এ নিয়ে কিছুদিন আগেও গ্রামে সালিস হয়েছিলো।
ঈদের দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জামাতের স্থান নিয়ে কেরাদীঘি গ্রামবাসীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে সংঘর্ষের রূপ নেয়। এ সময় দুই পক্ষের লোকেরা দেশিয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের ৩০ জনের মতো লোক আহত হন।
কেন্দুয়া থানার (ওসি) এনামুল হক বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়ন রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।
নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় ঈদের জামাতের স্থান নির্ধারণকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের ৩০ জনের মতো আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল, ২০২৪) সকালে রোয়াইলবাড়ি আমতলা ইউনিয়নের কেরাদীঘি গ্রামের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
আহতরা হলো, সরবুল, বাবু, বাদল, খায়রুল, সোহাগ, আবেদ আলী, শহীদুল্লাহ, সোহেল রানা, আসাদ ও চেংজানা গ্রামের কামরুলকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসক ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। অন্যরা কেন্দুয়া উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কেরাদীঘি গ্রামের পুরাতন ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ পড়তে চান গ্রামের সরবুল, খায়রুল, বাদল গংসহ একটি পক্ষ। অপর দিকে যাতায়াতের রাস্তার সমস্যার কথা বলে গ্রামের মসজিদের মাঠে নামাজ পড়তে চান ছাদেক, সিদ্দিক, হেলাল গংসহ অপর পক্ষ। এ নিয়ে কিছুদিন আগেও গ্রামে সালিস হয়েছিলো।
ঈদের দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জামাতের স্থান নিয়ে কেরাদীঘি গ্রামবাসীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে সংঘর্ষের রূপ নেয়। এ সময় দুই পক্ষের লোকেরা দেশিয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের ৩০ জনের মতো লোক আহত হন।
কেন্দুয়া থানার (ওসি) এনামুল হক বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়ন রয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।
COMMENTS