
এনএনবি, ঢাকা
২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব আসতে পারে। বর্তমানে এই সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থাকলেও তা ২৫ হাজার টাকা বৃদ্ধি করে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করার চিন্তাভাবনা চলছে।
বুধবার (১০ জুন ২০২৬) অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাজেট বক্তৃতায় এ প্রস্তাব ঘোষণা করতে পারেন। একই সঙ্গে আগামী পাঁচ বছরের জন্য ধাপে ধাপে করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধির একটি রূপরেখাও উপস্থাপন করা হতে পারে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে সাধারণ করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হতে পারে। এরপর ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ অর্থবছরে তা ৪ লাখ টাকায় উন্নীত করা এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে সাড়ে ৪ লাখ টাকা করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিশেষ শ্রেণির করদাতাদের ক্ষেত্রেও করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। নারী করদাতা ও ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী নাগরিকদের জন্য ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হতে পারে। পরবর্তী দুই অর্থবছরে এটি ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৫ লাখ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব আসতে পারে।
তৃতীয় লিঙ্গের করদাতা ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ টাকা করার সম্ভাবনা রয়েছে। ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ অর্থবছরে তা ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকায় উন্নীত হতে পারে।
অন্যদিকে, গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও গেজেটভুক্ত ‘জুলাই যোদ্ধা’ করদাতাদের জন্য ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে। পরবর্তী দুই অর্থবছরে এটি ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৬ লাখ টাকায় উন্নীত করা হতে পারে।
প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন শ্রেণির করদাতারা বাড়তি কর-সুবিধা পাবেন এবং মূল্যস্ফীতির চাপে কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব আসতে পারে। বর্তমানে এই সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থাকলেও তা ২৫ হাজার টাকা বৃদ্ধি করে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করার চিন্তাভাবনা চলছে।
বুধবার (১০ জুন ২০২৬) অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাজেট বক্তৃতায় এ প্রস্তাব ঘোষণা করতে পারেন। একই সঙ্গে আগামী পাঁচ বছরের জন্য ধাপে ধাপে করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধির একটি রূপরেখাও উপস্থাপন করা হতে পারে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে সাধারণ করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হতে পারে। এরপর ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ অর্থবছরে তা ৪ লাখ টাকায় উন্নীত করা এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে সাড়ে ৪ লাখ টাকা করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিশেষ শ্রেণির করদাতাদের ক্ষেত্রেও করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। নারী করদাতা ও ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী নাগরিকদের জন্য ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হতে পারে। পরবর্তী দুই অর্থবছরে এটি ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৫ লাখ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব আসতে পারে।
তৃতীয় লিঙ্গের করদাতা ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ টাকা করার সম্ভাবনা রয়েছে। ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ অর্থবছরে তা ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকায় উন্নীত হতে পারে।
অন্যদিকে, গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও গেজেটভুক্ত ‘জুলাই যোদ্ধা’ করদাতাদের জন্য ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব রয়েছে। পরবর্তী দুই অর্থবছরে এটি ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ২০৩০-৩১ অর্থবছরে ৬ লাখ টাকায় উন্নীত করা হতে পারে।
প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন শ্রেণির করদাতারা বাড়তি কর-সুবিধা পাবেন এবং মূল্যস্ফীতির চাপে কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে।
COMMENTS