
এনএনবি, পটুয়াখালী
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নাজিরপুর-তাঁতেরকাঠি ইউনিয়ন থেকে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বের হওয়া চার ছাত্রীর সন্ধান এখনো মেলেনি। প্রায় ৩২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও তারা বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারগুলোর মধ্যে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন স্বজনরা।
নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের বয়স ১২ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে তিনজন নাজিরপুর ছোট ডালিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং অপরজন অন্য একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল রবিবার (১০ মে ২০২৬) সকালে প্রতিদিনের মতো তারা বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে নিজ নিজ বাড়ি থেকে বের হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও কেউ বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে বিদ্যালয়, আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
নাজিরপুর ছোট ডালিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, নিখোঁজ তিন শিক্ষার্থী সেদিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিল না। পরে অভিভাবকদের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারেন তারা। সহপাঠীদের কাছ থেকেও তেমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর রবিবার রাত ১২টার দিকে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
নিখোঁজ এক শিক্ষার্থীর মা বলেন, সন্তানদের কোনো খোঁজ না পেয়ে তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।
সোমবার (১১ মে ২০২৬) এদিকে আরেক শিক্ষার্থীর বাবা জানান, বিকেলে একটি অচেনা নম্বর থেকে আসা ফোনকলে তাঁর মেয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। মেয়ে জানিয়েছে, তারা কেরানীগঞ্জ এলাকায় রয়েছে এবং এক নারী তাদের সঙ্গে আছেন। এছাড়া মঙ্গলবার বিকেলের মধ্যে বাড়ি ফেরার কথাও বলেছে বলে দাবি করেন তিনি।
জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই গোলাম মোস্তফা বলেন, নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের কারও কাছে মোবাইল ফোন নেই। তবে যে নম্বর থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে, সেটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড, লঞ্চঘাট ও সম্ভাব্য স্থানে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের দ্রুত খুঁজে বের করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নাজিরপুর-তাঁতেরকাঠি ইউনিয়ন থেকে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বের হওয়া চার ছাত্রীর সন্ধান এখনো মেলেনি। প্রায় ৩২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও তারা বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারগুলোর মধ্যে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন স্বজনরা।
নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের বয়স ১২ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে তিনজন নাজিরপুর ছোট ডালিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং অপরজন অন্য একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল রবিবার (১০ মে ২০২৬) সকালে প্রতিদিনের মতো তারা বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে নিজ নিজ বাড়ি থেকে বের হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও কেউ বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। পরে বিদ্যালয়, আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
নাজিরপুর ছোট ডালিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, নিখোঁজ তিন শিক্ষার্থী সেদিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিল না। পরে অভিভাবকদের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারেন তারা। সহপাঠীদের কাছ থেকেও তেমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার পর রবিবার রাত ১২টার দিকে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।
নিখোঁজ এক শিক্ষার্থীর মা বলেন, সন্তানদের কোনো খোঁজ না পেয়ে তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।
সোমবার (১১ মে ২০২৬) এদিকে আরেক শিক্ষার্থীর বাবা জানান, বিকেলে একটি অচেনা নম্বর থেকে আসা ফোনকলে তাঁর মেয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। মেয়ে জানিয়েছে, তারা কেরানীগঞ্জ এলাকায় রয়েছে এবং এক নারী তাদের সঙ্গে আছেন। এছাড়া মঙ্গলবার বিকেলের মধ্যে বাড়ি ফেরার কথাও বলেছে বলে দাবি করেন তিনি।
জিডির তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই গোলাম মোস্তফা বলেন, নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের কারও কাছে মোবাইল ফোন নেই। তবে যে নম্বর থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে, সেটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড, লঞ্চঘাট ও সম্ভাব্য স্থানে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের দ্রুত খুঁজে বের করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
COMMENTS