![]() |
নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন ফখরুল। ছবি: এনএনবি |
এনএনবি, ঢাকা
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আজকে এমন একটি সময়ে আমরা মে দিবস পালন করছি যখন সারাদেশের মানুষ ন্যূনতম অধিকার থেকেও বঞ্চিত। জাতি দানবের শাসনে কবলিত।
বুধবার বিকেলে বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে মহান মে দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদল আয়োজিত এক শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, দুঃখ হয় যখন প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাম-ডান একসাথে হয়ে সরকার সরানোর চেষ্টা করছে। কি এমন ঘটেছে যে আমাদের উৎখাত করতে চায়?" আজকে সব মানুষ মনে করছে তাদের অধিকার লুট করা হয়েছে, কেড়ে নেয়া হয়েছে বাকস্বাধীনতা। তিনি (প্রধানমন্ত্রী) বলছেন, আমাদের অপরাধ কী? আপনাদের অপরাধ হলো আপনারা জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছেন। ডামি নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ পরিচালনা করছেন। আপনাদের অপরাধ হলো লুটপাট করে দেশকে অর্থনৈতিকভাবে ফোকলা বানিয়ে ফেলেছেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকার সংসদে বিল পাশ করে অবশ্য একদলীয় বাকশাল কায়েম করবে না। তারা জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়ে কণ্ঠরোধ করে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে চায়। আজকে অধিকার ফিরিয়ে আনার আন্দোলনে শুধু বিএনপির নয়, সকল দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক শক্তি এক হয়েছে। বিএনপিকে ধ্বংস করা যাবে না। বিএনপি হচ্ছে ফিনিক্স পাখির মত। বিএনপি অতীতেও পরাজিত হয়নি, ভবিষ্যতেও পরাজিত হবে না।
ফখরুল বলেন, চলমান আন্দোলন বিএনপির একার সংগ্রাম নয়, সকলের। আমরা জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চাই। শ্রমিকরা আজ পদে পদে লাঞ্ছিত হচ্ছে। তাদের সন্তানরা ভালো স্কুলে লেখাপড়া করতে পারে না, ভালো খেতে পারে না। আর এই বৈষম্য সৃষ্টি করেছে সরকার।
এসময় বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশে শ্রমিকের অধিকার, ভোটের অধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিতে হবে। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম সহজ নয়, এজন্য অনেক রক্ত-শ্রম দিতে হয়। আওয়ামী লীগ বুলেটের জোরে ক্ষমতায় এসেছে, মানুষের ভোটে নয়। বিএনপি রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে একদলীয় সরকারকে বিদায় দেওয়া হবে।
শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে বিএনপি এবং সংগঠনের জ্যেষ্ঠ নেতারা বক্তব্য দেন।
এর আগে তাপপ্রবাহ উপেক্ষা করে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সকাল থেকে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে থাকেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এরপর নেতাকর্মীদের নিয়ে শোডাউন বের করে দলটি।
র্যালিতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ নেতৃত্ব দেন। এছাড়াও র্যালিতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হক, যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, ইউনুস মৃধা, আব্দুস সাত্তার, মো. মোহন, আনম সাইফুল ইসলাম, তানভীর আহমেদ রবীন, মনির হোসেন, ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য এডভোকেট মকবুল হোসেন সরদার, হাজী ইউসুফ, এবিএমএ রাজ্জাক, জামশেদুল আলম শ্যামল, শ্রমিকদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক মো. সুমন ভূইয়া, সদস্য সচিব বদরুল আলম সবুজ, যুগ্ম মহানগর শরিফুল ইসলাম আউয়াল, আনোয়ার হোসেন, জাকির হোসেন, সিদ্দিকুর রহমান, জিল্লুর রহমান, আরিফ হোসেন, মো. জসীম, মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব কামরুজ্জামান, বৃহত্তর উত্তরা থানা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুস ছালাম, উত্তরখান থানা বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম খান, তুরাগ থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী জহিরুল ইসলাম, তেজগাঁও থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার মিরাজ উদ্দিন হায়দার আরজু, শেরে বাংলা নগর থানার যুগ্ম আহ্বায়ক শাহজালাল সিকদার, দক্ষিণখান থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দেওয়ান নাজিম উদ্দীন, মোহাম্মদপুর থানা বিএনপির আহ্বায়ক শুক্কুর মাহমুদ, যুগ্ম আহ্বায়ক এম এস আহমাদ আলী, আদাবর থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. হানিফ ও মাসুম বাবুল, মোহাম্মদপুর থানা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক আলী কায়সার পিন্টু সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রুবেল হাওলাদার, সবুজবাগ থানা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল রহিম, ভাটারা থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সেলিম মিয়া, চকবাজার থানাধীন ৩০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ জুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাদী, উত্তরাপূর্ব থানার ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. সুরুজ আলম সহ ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, কৃষক দল, মৎস্যজীবী দল, শ্রমিক দল, জাসাসসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী অংশ নিয়েছেন।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আজকে এমন একটি সময়ে আমরা মে দিবস পালন করছি যখন সারাদেশের মানুষ ন্যূনতম অধিকার থেকেও বঞ্চিত। জাতি দানবের শাসনে কবলিত।
বুধবার বিকেলে বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ের সামনে মহান মে দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদল আয়োজিত এক শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, দুঃখ হয় যখন প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাম-ডান একসাথে হয়ে সরকার সরানোর চেষ্টা করছে। কি এমন ঘটেছে যে আমাদের উৎখাত করতে চায়?" আজকে সব মানুষ মনে করছে তাদের অধিকার লুট করা হয়েছে, কেড়ে নেয়া হয়েছে বাকস্বাধীনতা। তিনি (প্রধানমন্ত্রী) বলছেন, আমাদের অপরাধ কী? আপনাদের অপরাধ হলো আপনারা জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়েছেন। ডামি নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ পরিচালনা করছেন। আপনাদের অপরাধ হলো লুটপাট করে দেশকে অর্থনৈতিকভাবে ফোকলা বানিয়ে ফেলেছেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকার সংসদে বিল পাশ করে অবশ্য একদলীয় বাকশাল কায়েম করবে না। তারা জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়ে কণ্ঠরোধ করে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করতে চায়। আজকে অধিকার ফিরিয়ে আনার আন্দোলনে শুধু বিএনপির নয়, সকল দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক শক্তি এক হয়েছে। বিএনপিকে ধ্বংস করা যাবে না। বিএনপি হচ্ছে ফিনিক্স পাখির মত। বিএনপি অতীতেও পরাজিত হয়নি, ভবিষ্যতেও পরাজিত হবে না।
ফখরুল বলেন, চলমান আন্দোলন বিএনপির একার সংগ্রাম নয়, সকলের। আমরা জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চাই। শ্রমিকরা আজ পদে পদে লাঞ্ছিত হচ্ছে। তাদের সন্তানরা ভালো স্কুলে লেখাপড়া করতে পারে না, ভালো খেতে পারে না। আর এই বৈষম্য সৃষ্টি করেছে সরকার।
এসময় বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, বাংলাদেশে শ্রমিকের অধিকার, ভোটের অধিকার, গণতান্ত্রিক অধিকার জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিতে হবে। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম সহজ নয়, এজন্য অনেক রক্ত-শ্রম দিতে হয়। আওয়ামী লীগ বুলেটের জোরে ক্ষমতায় এসেছে, মানুষের ভোটে নয়। বিএনপি রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে একদলীয় সরকারকে বিদায় দেওয়া হবে।
শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে বিএনপি এবং সংগঠনের জ্যেষ্ঠ নেতারা বক্তব্য দেন।
এর আগে তাপপ্রবাহ উপেক্ষা করে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সকাল থেকে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে থাকেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। এরপর নেতাকর্মীদের নিয়ে শোডাউন বের করে দলটি।
র্যালিতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ নেতৃত্ব দেন। এছাড়াও র্যালিতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হক, যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, ইউনুস মৃধা, আব্দুস সাত্তার, মো. মোহন, আনম সাইফুল ইসলাম, তানভীর আহমেদ রবীন, মনির হোসেন, ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য এডভোকেট মকবুল হোসেন সরদার, হাজী ইউসুফ, এবিএমএ রাজ্জাক, জামশেদুল আলম শ্যামল, শ্রমিকদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক মো. সুমন ভূইয়া, সদস্য সচিব বদরুল আলম সবুজ, যুগ্ম মহানগর শরিফুল ইসলাম আউয়াল, আনোয়ার হোসেন, জাকির হোসেন, সিদ্দিকুর রহমান, জিল্লুর রহমান, আরিফ হোসেন, মো. জসীম, মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব কামরুজ্জামান, বৃহত্তর উত্তরা থানা বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুস ছালাম, উত্তরখান থানা বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম খান, তুরাগ থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাজী জহিরুল ইসলাম, তেজগাঁও থানা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার মিরাজ উদ্দিন হায়দার আরজু, শেরে বাংলা নগর থানার যুগ্ম আহ্বায়ক শাহজালাল সিকদার, দক্ষিণখান থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দেওয়ান নাজিম উদ্দীন, মোহাম্মদপুর থানা বিএনপির আহ্বায়ক শুক্কুর মাহমুদ, যুগ্ম আহ্বায়ক এম এস আহমাদ আলী, আদাবর থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. হানিফ ও মাসুম বাবুল, মোহাম্মদপুর থানা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক আলী কায়সার পিন্টু সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রুবেল হাওলাদার, সবুজবাগ থানা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল রহিম, ভাটারা থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সেলিম মিয়া, চকবাজার থানাধীন ৩০ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ জুয়েল ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাদী, উত্তরাপূর্ব থানার ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. সুরুজ আলম সহ ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, কৃষক দল, মৎস্যজীবী দল, শ্রমিক দল, জাসাসসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী অংশ নিয়েছেন।
COMMENTS