
এনএনবি, পাবনা
পাবনা শহরে একজনের মৃত্যু হয়েছে; অতিরিক্ত গরম বা হিটস্ট্রোকে তার মৃত্যু হতে পারে বলে চিকিৎসকের ধারণা। নিহত ৬০ বছর বয়সী সুকুমার দাস পাবনা শহরের শালগড়িয়া এলাকার জাকির মোড় এলাকার বাসিন্দা।
পাবনা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বলেন, শালগাড়িয়ার এক ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে এসেছিল লোকজন। এখানে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছিল। আমরা অনুমান করছি, প্রচণ্ড গরমে হিটস্ট্রোক করে মারা গেছেন তিনি। পরে তার পরিবার এসে মরদেহ নিয়ে গেছে।
পাবনায় শনিবার সর্বোচ্চ ৪১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে; যা পাবনা জেলায় চলতি মৌসুমের মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। তীব্র দাবদাহ পুড়ছে গোটা পাবনা জেলা। অসনীয় গরমে অতিষ্ঠ জেলার মানুষের জীবন। হাসপাতালে বাড়ছে গরমজনিত নানা রোগে আক্রান্ত বয়স্ক ও শিশু রোগীর সংখ্যা।
ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের সহকারী পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন জানান, কয়েকদিন ধরেই পাবনায় ৪০ ডিগ্রি বা এর বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। শনিবার রেকর্ড করা হয়েছে ৪১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে এতো তাপমাত্রা রেকর্ড হয়নি। ঈশ্বরদীসহ আশপাশের এলাকাজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বইছে। এ তাপমাত্রা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
শুক্রবার উপজেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়েছে, যা ঈশ্বরদীতে এ বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল। কিন্তু শনিবারের তাপমাত্রা আরও বেশি বলে জানান আবহাওয়া অফিসের এ কর্মকর্ত। তিনি বলেন, এই তাপপ্রবাহের ফলে পাবনা ও ঈশ্বরদীর আশেপাশের এলাকার উপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
এদিকে তীব্র গরমে মানুষের হাঁসফাঁস অবস্থা। তীব্র এই তাপপ্রবাহে সব থেকে সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছেন শ্রমজীবী মানুষ। জীবন-জীবিকার তাগিদে তীব্র রোদে কাজ করতে হচ্ছে খেটে খাওয়া মানুষদের। বাইরে বের হওয়ার সময় অনেকেই ছাতা নিয়ে বের হচ্ছেন।
পাবনা শহরে একজনের মৃত্যু হয়েছে; অতিরিক্ত গরম বা হিটস্ট্রোকে তার মৃত্যু হতে পারে বলে চিকিৎসকের ধারণা। নিহত ৬০ বছর বয়সী সুকুমার দাস পাবনা শহরের শালগড়িয়া এলাকার জাকির মোড় এলাকার বাসিন্দা।
পাবনা সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম বলেন, শালগাড়িয়ার এক ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে এসেছিল লোকজন। এখানে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছিল। আমরা অনুমান করছি, প্রচণ্ড গরমে হিটস্ট্রোক করে মারা গেছেন তিনি। পরে তার পরিবার এসে মরদেহ নিয়ে গেছে।
পাবনায় শনিবার সর্বোচ্চ ৪১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে; যা পাবনা জেলায় চলতি মৌসুমের মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। তীব্র দাবদাহ পুড়ছে গোটা পাবনা জেলা। অসনীয় গরমে অতিষ্ঠ জেলার মানুষের জীবন। হাসপাতালে বাড়ছে গরমজনিত নানা রোগে আক্রান্ত বয়স্ক ও শিশু রোগীর সংখ্যা।
ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের সহকারী পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন জানান, কয়েকদিন ধরেই পাবনায় ৪০ ডিগ্রি বা এর বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। শনিবার রেকর্ড করা হয়েছে ৪১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে এতো তাপমাত্রা রেকর্ড হয়নি। ঈশ্বরদীসহ আশপাশের এলাকাজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বইছে। এ তাপমাত্রা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
শুক্রবার উপজেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়েছে, যা ঈশ্বরদীতে এ বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল। কিন্তু শনিবারের তাপমাত্রা আরও বেশি বলে জানান আবহাওয়া অফিসের এ কর্মকর্ত। তিনি বলেন, এই তাপপ্রবাহের ফলে পাবনা ও ঈশ্বরদীর আশেপাশের এলাকার উপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
এদিকে তীব্র গরমে মানুষের হাঁসফাঁস অবস্থা। তীব্র এই তাপপ্রবাহে সব থেকে সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছেন শ্রমজীবী মানুষ। জীবন-জীবিকার তাগিদে তীব্র রোদে কাজ করতে হচ্ছে খেটে খাওয়া মানুষদের। বাইরে বের হওয়ার সময় অনেকেই ছাতা নিয়ে বের হচ্ছেন।
COMMENTS