![]() |
ময়মনসিংহ নগরীতে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও রিকশা চলাচল করে। আর এসবের অদক্ষ চালকদের কারণে প্রতিনিয়তই ঘটছে দুর্ঘটনা, সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। |
জহির রায়হান
এনএনবি, ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহ নগরীতে অটোরিকশার বেপরোয়া গতির কারণে নগরবাসীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বেপরোয়া গতিতে চলা তিন চাকার অটোরিকশা প্রতিনিয়তই ঘটাচ্ছে দুর্ঘটনা। ঝড়ের গতিতে ছোটে চলা অটোরিকশা ও রিকশা চলাচলে আতঙ্কের মধ্য দিয়ে পথ চলেন নগরবাসী। অদক্ষ চালক ও বেপরোয়া গতির কারণে অটোরিকশা চলাচলে প্রায় সময়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন নগরবাসী। এতে কেউ পঙ্গু হচ্ছেন আবার কেউ হারাচ্ছেন শরীরের অঙ্গ।
জানা যায়, ময়মনসিংহ নগরীতে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও রিকশা চলাচল করে। এসব অটোরিকশা ও রিকশা কারণে শহরে দুঃসহ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। অদক্ষ অটোরিকশা চালকরা মোড় বা টার্নিং এর কোনো তোয়াক্কাই না করে চলেন ঝড়ের গতিতে। এসব অটোরিকশার বেপরোয়া গতিতে চলাচলে কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই কারও কাছে। অসহায় ট্র্যাফিক বিভাগও। ফলে দিনে দিনে দুর্বিষহ হয়ে উঠছে নাগরিক জীবন।
নগরবাসীরা জানান, প্রতিদিনই সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নগরীর গুরুত্বপূর্ণ চরপাড়া মোড়। যেখানে চিকিৎসা নিতে আসা হাজার হাজার রোগীদের পড়তে হয় ভয়াবহ যানজটের কবলে দিত হয় অনেকেও জীবন। এছাড়াও নগরীর গাঙ্গিনারপাড়, সি.কে ঘোষ সড়ক, নতুন বাজার, জিলা স্কুল মোড়, টাউন হল মোড়, বাতির কল মোড়, ব্রিজ মোড়সহ ব্যস্ততম রাস্তাঘাটে অটোরিকশার চাপে প্রায় অচল হয়ে পড়ে। আর ফাঁকা পেলেই সর্বোচ্চ গতিতে চলে এসব অটারিকশা। ফলে ছোটখাটো দুর্ঘটনা সবসময় ঘটেই চলে।
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা যায়, নিবন্ধিত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংখ্যা ৫ হাজার ৯শ’ ৯৬টি, মোটা চাকার রিকশা ৫ হাজার ৬শ’টি। এ ছাড়া দুই আসনবিশিষ্ট ব্যাটারিচালিত চিকন চাকার রিকশা ৬ হাজার এবং পা চালিত রিকশা ৪শ’টি। তার মধ্যে অটোরিকশা ও মোটা চাকার রিকশা রং অনুযায়ী একদিন পরপর চললেও যানজটে কবল থেকে রেহাই পাচ্ছে না নগরবাসী।
ময়মনসিংহ জেলা অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি দিলীপ সরকার বলেন, অটো ও মিশুক রিকশায় ৫০ অ্যাম্পিয়ার মোটর লাগানোর কথা থাকলেও বাস্তবে তারা ৭৫ অ্যাম্পিয়ার ব্যবহার করছে। তাই এসব অটোরিকশার গতিও বেশি। তিনি বলেন, চালকদের সুনির্দিষ্ট কোন প্রশিক্ষণ না থাকার কারণে কতটুকু গতিতে এটি চালাতে হয় এবং ট্র্যাফিক আইন সম্পর্কেও তাদের কোন ধারণা নেই। জেলা প্রশাসন থেকে চালকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা থাকলেও আদৌ তা বাস্তবায়ন হয়নি। তিনি সরকার বা স্থানীয় সরকারের কাছে এসব অদক্ষ চালকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থার দাবি জানান।
ময়মনসিংহ ট্র্যাফিক ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন থেকে এসব অটোরিকশা বা রিকশা চলাচলের গতিসীমা নির্ধারণ করে দেওয়ার দরকার, যেন তারা এর চেয়ে বেশি গতিতে না চালান। এসব অদক্ষ চালক ও বেপরোয়ার গতির কারণে প্রতিদিন নানা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে পথচারীরা। তিনি এসব অটোরিকশা চালকদের প্রশিক্ষণ ও গতিসীমা নির্ধারণের উপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন।
এনএনবি, ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহ নগরীতে অটোরিকশার বেপরোয়া গতির কারণে নগরবাসীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বেপরোয়া গতিতে চলা তিন চাকার অটোরিকশা প্রতিনিয়তই ঘটাচ্ছে দুর্ঘটনা। ঝড়ের গতিতে ছোটে চলা অটোরিকশা ও রিকশা চলাচলে আতঙ্কের মধ্য দিয়ে পথ চলেন নগরবাসী। অদক্ষ চালক ও বেপরোয়া গতির কারণে অটোরিকশা চলাচলে প্রায় সময়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন নগরবাসী। এতে কেউ পঙ্গু হচ্ছেন আবার কেউ হারাচ্ছেন শরীরের অঙ্গ।
জানা যায়, ময়মনসিংহ নগরীতে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও রিকশা চলাচল করে। এসব অটোরিকশা ও রিকশা কারণে শহরে দুঃসহ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। অদক্ষ অটোরিকশা চালকরা মোড় বা টার্নিং এর কোনো তোয়াক্কাই না করে চলেন ঝড়ের গতিতে। এসব অটোরিকশার বেপরোয়া গতিতে চলাচলে কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই কারও কাছে। অসহায় ট্র্যাফিক বিভাগও। ফলে দিনে দিনে দুর্বিষহ হয়ে উঠছে নাগরিক জীবন।
নগরবাসীরা জানান, প্রতিদিনই সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নগরীর গুরুত্বপূর্ণ চরপাড়া মোড়। যেখানে চিকিৎসা নিতে আসা হাজার হাজার রোগীদের পড়তে হয় ভয়াবহ যানজটের কবলে দিত হয় অনেকেও জীবন। এছাড়াও নগরীর গাঙ্গিনারপাড়, সি.কে ঘোষ সড়ক, নতুন বাজার, জিলা স্কুল মোড়, টাউন হল মোড়, বাতির কল মোড়, ব্রিজ মোড়সহ ব্যস্ততম রাস্তাঘাটে অটোরিকশার চাপে প্রায় অচল হয়ে পড়ে। আর ফাঁকা পেলেই সর্বোচ্চ গতিতে চলে এসব অটারিকশা। ফলে ছোটখাটো দুর্ঘটনা সবসময় ঘটেই চলে।
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন সূত্রে জানা যায়, নিবন্ধিত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সংখ্যা ৫ হাজার ৯শ’ ৯৬টি, মোটা চাকার রিকশা ৫ হাজার ৬শ’টি। এ ছাড়া দুই আসনবিশিষ্ট ব্যাটারিচালিত চিকন চাকার রিকশা ৬ হাজার এবং পা চালিত রিকশা ৪শ’টি। তার মধ্যে অটোরিকশা ও মোটা চাকার রিকশা রং অনুযায়ী একদিন পরপর চললেও যানজটে কবল থেকে রেহাই পাচ্ছে না নগরবাসী।
ময়মনসিংহ জেলা অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি দিলীপ সরকার বলেন, অটো ও মিশুক রিকশায় ৫০ অ্যাম্পিয়ার মোটর লাগানোর কথা থাকলেও বাস্তবে তারা ৭৫ অ্যাম্পিয়ার ব্যবহার করছে। তাই এসব অটোরিকশার গতিও বেশি। তিনি বলেন, চালকদের সুনির্দিষ্ট কোন প্রশিক্ষণ না থাকার কারণে কতটুকু গতিতে এটি চালাতে হয় এবং ট্র্যাফিক আইন সম্পর্কেও তাদের কোন ধারণা নেই। জেলা প্রশাসন থেকে চালকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা থাকলেও আদৌ তা বাস্তবায়ন হয়নি। তিনি সরকার বা স্থানীয় সরকারের কাছে এসব অদক্ষ চালকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থার দাবি জানান।
ময়মনসিংহ ট্র্যাফিক ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন থেকে এসব অটোরিকশা বা রিকশা চলাচলের গতিসীমা নির্ধারণ করে দেওয়ার দরকার, যেন তারা এর চেয়ে বেশি গতিতে না চালান। এসব অদক্ষ চালক ও বেপরোয়ার গতির কারণে প্রতিদিন নানা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে পথচারীরা। তিনি এসব অটোরিকশা চালকদের প্রশিক্ষণ ও গতিসীমা নির্ধারণের উপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন।
COMMENTS