
এনএনবি, গাজীপুর
গাজীপুর মহানগরীর ইক্ষু গবেষণা এলাকায় দিনদুপুরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে কলেজ ছাত্র আল আমিন ওরফে আশিককে হত্যার ঘটনায় জড়িত ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গত মঙ্গলবার (০৭ মে, ২০২৪) রাতে গাজীপুর মহানগরীর যোগীতলা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
কলেজছাত্র আল আমিন গাজীপুর মহানগরের চান্দনা এলাকার আক্তার আলীর ছেলে। সে চান্দনা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। গত শনিবার দুপুরে গাজীপুর ইক্ষু গবেষণা এলাকায় তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন গাজীপুর মহানগরের যোগীতলা এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে মো. সুমন (২০) এবং চান্দনা পূর্ব পাড়া এলাকার শ্যামল চৌধুরীর ছেলে অংকন চৌধুরী ওরফে শিখর (১৮)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার দুপুরে আল আমিন তার ছোট এক ভাইসহ চারজনকে নিয়ে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট চত্বরে বেড়াতে যান। এসময় চার-পাঁচজন ছিনতাইকারী প্রথমে তাদের নাম–পরিচয় জানতে চায়। এরপর তার সঙ্গে যা যা আছে, তাদের দিয়ে দিতে বলে। একপর্যায়ে আল আমিনের কাছে থাকা মুঠোফোনটি ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে তারা। এসময় আল আমিন তাদের বাধা দিলে তার বুকের বা পাশে ছুরিকাঘাত করে ছিনতাইকারীরা। পরে আল আমিনের সঙ্গে থাকা খালাতো ভাই শাকিল আহমেদের মুঠোফোনটি ছিনিয়ে নিয়ে তারা ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সীমানা প্রাচীর টপকে পালিয়ে যায়। এসময় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে আল আমিন আহত হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তার মৃত্যু হয়।
ওই ঘটনার পর থেকে পুলিশ ছিনতাইকারীদের গ্রেফতার করতে অভিযান শুরু করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার মধ্যরাতে গাজীপুরের বাসন থানাধীন যোগীতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুমন ও অংকন চৌধুরী নামের দুই ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর আজ বুধবার (০৮ মে, ২০২৪) তারা দুই জন গাজীপুর মেট্রোপলিটন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
জিএমপি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মো. রাফিউল করিম বলেন, গ্রেফতারকৃতরা হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত মর্মে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। হত্যার ঘটনায় নিহতের পিতা আক্তার আলী বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলায় দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃতদের আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গাজীপুর মহানগরীর ইক্ষু গবেষণা এলাকায় দিনদুপুরে ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে কলেজ ছাত্র আল আমিন ওরফে আশিককে হত্যার ঘটনায় জড়িত ২ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গত মঙ্গলবার (০৭ মে, ২০২৪) রাতে গাজীপুর মহানগরীর যোগীতলা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
কলেজছাত্র আল আমিন গাজীপুর মহানগরের চান্দনা এলাকার আক্তার আলীর ছেলে। সে চান্দনা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের একাদশ শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র। গত শনিবার দুপুরে গাজীপুর ইক্ষু গবেষণা এলাকায় তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন গাজীপুর মহানগরের যোগীতলা এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে মো. সুমন (২০) এবং চান্দনা পূর্ব পাড়া এলাকার শ্যামল চৌধুরীর ছেলে অংকন চৌধুরী ওরফে শিখর (১৮)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার দুপুরে আল আমিন তার ছোট এক ভাইসহ চারজনকে নিয়ে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট চত্বরে বেড়াতে যান। এসময় চার-পাঁচজন ছিনতাইকারী প্রথমে তাদের নাম–পরিচয় জানতে চায়। এরপর তার সঙ্গে যা যা আছে, তাদের দিয়ে দিতে বলে। একপর্যায়ে আল আমিনের কাছে থাকা মুঠোফোনটি ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে তারা। এসময় আল আমিন তাদের বাধা দিলে তার বুকের বা পাশে ছুরিকাঘাত করে ছিনতাইকারীরা। পরে আল আমিনের সঙ্গে থাকা খালাতো ভাই শাকিল আহমেদের মুঠোফোনটি ছিনিয়ে নিয়ে তারা ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সীমানা প্রাচীর টপকে পালিয়ে যায়। এসময় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে আল আমিন আহত হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তার মৃত্যু হয়।
ওই ঘটনার পর থেকে পুলিশ ছিনতাইকারীদের গ্রেফতার করতে অভিযান শুরু করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার মধ্যরাতে গাজীপুরের বাসন থানাধীন যোগীতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সুমন ও অংকন চৌধুরী নামের দুই ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর আজ বুধবার (০৮ মে, ২০২৪) তারা দুই জন গাজীপুর মেট্রোপলিটন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
জিএমপি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ মো. রাফিউল করিম বলেন, গ্রেফতারকৃতরা হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত মর্মে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। হত্যার ঘটনায় নিহতের পিতা আক্তার আলী বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলায় দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃতদের আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
COMMENTS